আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারী পিলখানায় ভারতীয় কমান্ডোদের হামলায় ৫৭ সেনা হত্যা ও সফলভাবে বিডিআর ধংসের বার্ষিকী। ঐদিন দিনটিকে ভুলিয়ে রাখার জন্য গত তিন বছর ধরে ঢাকায় আয়োজন করা হচ্ছে এশীয় কাপ ক্রিকেট। এবারেও
এটা ঢাকায় উদ্বোধন হবে ২৫ ফেব্রুয়ারীর আগের দিন, আবার খেলাটা হবে ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ!
কি তাজ্জবের পরিকল্পনা? বাংলাদেশের মানুষ এবং সেনাবাহিনী যখন চায় ২৫ ফেব্রুয়ারীকে শোক দিবস হিসাবে ঘোষণা করতে, তখন হাসিনা প্রতি বছর ঐ দিনটিতে নানাভাবে ভারতীয় শিল্পী বা খেলোয়াড়দেরকে ঢাকায় এনে নাচাকুদা করায়। এটা এক ধরনের বিকৃত রুচির সরকার। চাইলে ২৫ তারিখের পরেই এশীয়াি কাপ উদ্বোধন করা যেতো। কিন্তু অবৈধ সরকারে ইস্যু হলো আলাদা- দাদারা কিসে খুশি থাকবে? ......বাংলার মানুষ। কাঁদতে থাকো ততদিন- যতদিন নিজেদেরটা বুঝে নিবা না।পিলখানা বিডিআর গনহত্যা এবং এশিয়া কাপঃ
আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারী' ২০১৬ এ বাংলাদেশের ইতিহাসের নৃশংসতম গনহত্যা পিলখানা বিডিআর হত্যাযজ্ঞের ৭ম বার্ষিকী। ঐদিন পিলখানায় ৫৭ জন পদস্থ সেনা অফিসার সহ ৭৪জন কে হত্যা ও সফলভাবে বিডিআর ধংসের নীল-নক্সার বাস্তবায়ন করা হয়েছিলো । এই কালো দিনটিকে ভুলিয়ে রাখার জন্য গত তিন বছর ধরেই ঢাকায় আয়োজন করা হচ্ছে এশীয় কাপ ক্রিকেট। এবারেও ঢাকায় এশিয়া কাপ উদ্বোধন হবে ২৪ ফেব্রুয়ারী , আবার প্রথম খেলাটা হবে ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ !
কি তাজ্জব পরিকল্পনা? বাংলাদেশের মানুষ এবং নিহতদের পরিবার পরিজন যখন ২৫ ফেব্রুয়ারীকে জাতীয় শোক দিবস কিংবা সেনা হত্যা দিবস ঘোষনার জোর দাবী করেছেন বারবার , তখন হাসিনা সরকার প্রতি বছর ঐ দিনটিতে নানাভাবে ভারতীয় শিল্পী বা খেলোয়াড়দেরকে ঢাকায় এনে নাঁচাকুদা করায়। এটা এক ধরনের বিকৃত রুচির সরকার। নিজেরা জড়িত না থাকলে আর জাতীর প্রতি বিন্দুমাত্র সন্মান থাকলে ঐদিন কোনো উৎসব করতে পারতো না সরকার । চাইলে ২৫ তারিখের পরেই এশিয়া কাপ উদ্বোধন করা যেতো । কিন্তু এই অবৈধ সরকার এই দূর্ভাগা গোল্ড ফিস মেমোরীর জাতিকে নিয়ে মশকরা তো
করতেই পারে। হায়রে হতভাগা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যগন।এতো বড় ট্রাজেডি এবং রক্ত ঋন ভূলে গিয়ে হাসিনার তথাকথিত সাংবিধানিক অবৈধ সরকারকে সমর্থন দিতে হচ্ছে তাদের। কিন্তু তারা ভূলে গেলেও আমরা এই সূর্যসন্তানদের আত্মত্যাগ ভূলিনি এবং ভূলবোনা কোনো দিন। ভাই