হাসিনা ইজ নো মুজিব’


ভারতের বিখ্যাত সাংবাদিক কুলদীপ নায়ার বলেছেন, ‘শেখ হাসিনার অগণতান্ত্রিক মনোভাব আরো ধ্বংস বয়ে আনবে, কারণ জঙ্গি ও মৌলবাদী শক্তি পাশেই ওত পেতে আছে। এরই মধ্যে এমন শক্তি অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেছে এবং কয়েকটি হরতালে অবস্থা অনুকূল বলে আভাস পেয়েছে তারা।’
সম্প্রতি ভারতের সাপ্তাহিক দ্য সানডে গার্ডিয়ানের ‘হাসিনা ইজ নো মুজিব (শেখ হাসিনা শেখ মুজিব নন’ শীর্ষক এক কলামে কুলদীপ নায়ার এসব কথা জানিয়েছেন। ওই কলামে বাংলাদেশের বর্তমান নেতৃত্ব, ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের উন্নয়ন পার্থক্য নিয়েও নিজের বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন।
শেখ হাসিনা এবং সাবেক ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর ইন্দিরা গান্ধীর মধ্যে সম্পর্ক টেনে কুলদীপ নায়ার বলেন,

কেমন ছিল বাকশালের শাসন ?

আসুন একবার ইতিহাসের পাতায় চোখ মেলে দেখে নেই কেমন ছিল সেসব দিনগুলো। হাজার হাজার করুণ কাহিনীর সৃষ্টি হয়েছে আওয়ামী লীগের শাসন আমলে বাংলাদেশে। যার সবগুলো গুমড়ে মরেছে নির্বিচারে, প্রকাশিত হতে পারেনি।
পাবনার বাজিতপুরের কোরাটিয়া গ্রামের কৃষক আব্দুল আলীর ছেলে রশীদকে রক্ষীবাহিনী কর্তৃক নিমর্মভাবে খুনের বিভৎস সে চিত্র মেজর ডালিমের সাইট থেকে তুলে ধরলাম। আবদুল আলীর সাক্ষাৎকারটা ছিল নিম্নরূপ :-
“আমার সামনে ছেলেকে গুলি করে হত্যা করল। আমার হাতে কুঠার দিয়ে বলল, ‘মাথা কেটে দে, ফুটবল খেলবো।’ আমি কি তা পারি! আমি যে বাপ। কিন্তু অকথ্য নির্যাতন কতক্ষণ আর সহ্য করা যায়। অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত নিজের হাতে ছেলের মাথা কেটে দিয়েছি। রশীদ নাকি রাজনীতি করত আমি জানতাম না। একদিন মাতু আর শাহজাহান এসে ধরে নিয়ে গেল। আওয়ামী লীগ অফিসে সারারাত ওরা ওকে বেদম মার মারল। সকালে বলল এক হাজার টাকা দিলে ছেড়ে দেবে। রশীদ স্বীকার করে এল এক হাজার টাকা দেবার। আমার কাছে টাকা চাইল।

কে এই মির্জা ফখরুল? কতটুকু জানেন তার সম্পর্কে? না জানলে এখনই জেনে নিন - PLZ

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (জন্মঃ ১ আগস্ট, ১৯৪৮)
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (জন্মঃ ১ আগস্ট, ১৯৪৮) একজন বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক সরকারী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব। মির্জা ফখরুল মূলত বিএনপির জেষ্ঠ্য যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছিলেন, যে পদে তিনি দলের ৫ম জাতীয় সম্মেলনে মনোনীত হন। ২০১১ সালের মার্চে দলের মহাসচিব খন্দকার দেলওয়ার হোসেন মৃত্যুবরণ করলে তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হন। মির্জা ফখরুল এর আগে কৃষি, পর্যটন ও বেসরকারী বিমান চলাচল বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। প্রাথমিক জীবন- মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৯৪৮ সালের ১ আগস্ট তারিখে ঠাকুরগাঁও জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মির্জা রুহুল আমিন একজন সক্রিয় রাজনীতিবিদ ছিলেন, যিনি ঐ অঞ্চলের একজন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। মির্জা ফখরুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক (সন্মান) ডিগ্রী অর্জন করেছেন। ছাত্রজীবনের সক্রিয় রাজনীতির সাথে জড়িত হলেও কর্মজীবনের শুরুতে তিনি শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ছিলেন ও একাধিক সরকারী কলেজে অধ্যাপনা করেছেন। তিনি ১৯৮০-র দশকে তিনি মূলধারার রাজনীতিতে আসেন। মির্জা ফখরুল ১৯৭০-র দশকের শেষে তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী এস.এ. বারির ব্যাক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, যে পদে

পিলখানায় ৫৭ জন সেনা হত্যার বর্ষপুতি পালন উৎপসব হবে এশিয়া কাপের বাংলাদেশ-ভারত উদ্বোধনী ম্যাচ দিয়ে




আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারী পিলখানায় ভারতীয় কমান্ডোদের হামলায় ৫৭ সেনা হত্যা ও সফলভাবে বিডিআর ধংসের বার্ষিকী। ঐদিন দিনটিকে ভুলিয়ে রাখার জন্য গত তিন বছর ধরে ঢাকায় আয়োজন করা হচ্ছে এশীয় কাপ ক্রিকেট। এবারেও

এটা ঢাকায় উদ্বোধন হবে ২৫ ফেব্রুয়ারীর আগের দিন, আবার খেলাটা হবে ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ!
কি তাজ্জবের পরিকল্পনা? বাংলাদেশের মানুষ এবং সেনাবাহিনী যখন চায় ২৫ ফেব্রুয়ারীকে শোক দিবস হিসাবে ঘোষণা করতে, তখন হাসিনা প্রতি বছর ঐ দিনটিতে নানাভাবে ভারতীয় শিল্পী বা খেলোয়াড়দেরকে ঢাকায় এনে নাচাকুদা করায়। এটা এক ধরনের বিকৃত রুচির সরকার। চাইলে ২৫ তারিখের পরেই এশীয়াি কাপ উদ্বোধন করা যেতো। কিন্তু অবৈধ সরকারে ইস্যু হলো আলাদা- দাদারা কিসে খুশি থাকবে? ......বাংলার মানুষ। কাঁদতে থাকো ততদিন- যতদিন নিজেদেরটা বুঝে নিবা না।পিলখানা বিডিআর গনহত্যা এবং এশিয়া কাপঃ
আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারী' ২০১৬ এ বাংলাদেশের ইতিহাসের নৃশংসতম গনহত্যা পিলখানা বিডিআর হত্যাযজ্ঞের ৭ম বার্ষিকী। ঐদিন পিলখানায় ৫৭ জন পদস্থ সেনা অফিসার সহ ৭৪জন কে হত্যা ও সফলভাবে বিডিআর ধংসের নীল-নক্সার বাস্তবায়ন করা হয়েছিলো । এই কালো দিনটিকে ভুলিয়ে রাখার জন্য গত তিন বছর ধরেই ঢাকায় আয়োজন করা হচ্ছে এশীয় কাপ ক্রিকেট। এবারেও ঢাকায় এশিয়া কাপ উদ্বোধন হবে ২৪ ফেব্রুয়ারী , আবার প্রথম খেলাটা হবে ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ !
কি তাজ্জব পরিকল্পনা? বাংলাদেশের মানুষ এবং নিহতদের পরিবার পরিজন যখন ২৫ ফেব্রুয়ারীকে জাতীয় শোক দিবস কিংবা সেনা হত্যা দিবস ঘোষনার জোর দাবী করেছেন বারবার , তখন হাসিনা সরকার প্রতি বছর ঐ দিনটিতে নানাভাবে ভারতীয় শিল্পী বা খেলোয়াড়দেরকে ঢাকায় এনে নাঁচাকুদা করায়। এটা এক ধরনের বিকৃত রুচির সরকার। নিজেরা জড়িত না থাকলে আর জাতীর প্রতি বিন্দুমাত্র সন্মান থাকলে ঐদিন কোনো উৎসব করতে পারতো না সরকার । চাইলে ২৫ তারিখের পরেই এশিয়া কাপ উদ্বোধন করা যেতো । কিন্তু এই অবৈধ সরকার এই দূর্ভাগা গোল্ড ফিস মেমোরীর জাতিকে নিয়ে মশকরা তো

করতেই পারে। হায়রে হতভাগা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যগন।এতো বড় ট্রাজেডি এবং রক্ত ঋন ভূলে গিয়ে হাসিনার তথাকথিত সাংবিধানিক অবৈধ সরকারকে সমর্থন দিতে হচ্ছে তাদের। কিন্তু তারা ভূলে গেলেও আমরা এই সূর্যসন্তানদের আত্মত্যাগ ভূলিনি এবং ভূলবোনা কোনো দিন। ভাই

Ads Inside Post