Showing posts with label শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান. Show all posts
Showing posts with label শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান. Show all posts

জিয়াউর রহমান যেভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন


জিয়াউর রহমান যেভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেনভয়াল ২৫ মার্চ। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ঘুমন্ত নিরস্ত্র মানুষের ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যা চালায়। পৃথিবীর ইতিহাসে বর্বরতম এই গণহত্যা ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে পরিচিত। পলাশীর আম্রকাননে স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হওয়ার পর প্রায় ২১৪ বছর ধরে স্বাধীনতার স্বপ্ন বুকে লালন করে রেখেছিলাম আমরা। অথচ চির আকাক্সিক্ষত স্বাধীনতার লালসূর্যটি যখন নির্যাতন ও দুঃশাসনের কালো মেঘের ফাঁকে উঁকি দিচ্ছিল ঠিক সেই সময় জাতির ভাগ্য অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দিয়ে প্রলয় আতঙ্কে আতঙ্কিত হয়ে এ জাতির তথাকথিত রাজনীতিবিদ সিংহশাবকরা অনেকেই আত্মগোপন করেছিলেন। তাদের কেউ যায় বুড়িগঙ্গা পেরিয়ে গগনদের বাড়িতে, কেউ যায় ওপারে। : ২৪ মার্চ পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ও আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়ায় পশ্চিম পাকিস্তানিরা সামরিক অভিযানের মাধ্যমে স্বাধীনতা আন্দোলন দমন করতে চায়।

খেমকারান যুদ্ধঃ যেভাবে বাংলাদেশের জাতীয়তাবোধের উদ্ভব

১৯৬৫ সালের আগষ্ট মাসে ভারত পাকিস্তান উভয়েই বুজতে পারল একটা যুদ্ধ অনিবার্য। যুদ্ধ কৌশল হিসাবে পাকিস্তান কাশ্মীরের শ্রীনগর অভিমুখে তার সেনাবাহিনী পাঠাতে থাকে। সেনাবাহিনীর কনভয়ের প্রথমে থাকে পাকিস্তানের তৎকালীন দুর্ধর্ষ পাঞ্জাব রেজিমেন্ট, তারপর বালুচ রেজিমেন্ট, ফ্রন্টিয়ার ফোর্স এবং সবশেষে সব থাকে দূর্বল তৎকালীন বেঙ্গল রেজিমেন্ট যা মুলতঃ পুর্ব বাংলার জওয়ান দ্ধারা গঠিত।
ওদিকে ভারত তার বাহিনী শ্রীনগরে না পাঠিয়ে শিয়ালকোটের অরক্ষিত খেমকারান দিয়ে পাকিস্তানের লাহোর অভিমুখে মার্চ করায়। ওই মুহুর্তে শিয়ালকোট ছিল পুরাই অরক্ষিত। ঘঠনার আকস্মিকতায় পাকিস্তান হতচকিত হয়ে যায়। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল আইয়ুব নিজ হাতে সেনাবাহিনীর কমান্ড নেন। শ্রীনগর অভিমুখে মার্চ করা পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর মুখ ঘুরিয়ে তিনি খেমকারান অভিমুখে পাঠান।
শ্রীনগর অভিমুখে যে দল ছিল সব থেকে পেছনে সেই দলই হয়ে যায় এখন অগ্রবর্তী দল। মানে ইষ্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট তখন সবার আগে তার পেছনে যথাক্রমে ফ্রন্টিয়ার ফোর্স, বালুচ রেজিমেন্ট আর সর্বশেষে পাঞ্জাব রেজিমেন্ট। ভারতীয় সামরিক বাহিনীর মুখোমুখী হয় সে সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে অবহেলিত ইষ্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট। ইষ্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের আলফা কোম্পানী খেমকারান সেক্টরে মুখোমুখি হয় সপ্তদশ রাজপুত উনবিংশ মারাঠা লাইট ইনফ্যান্ট্রি, ষোড়শ পাঞ্জাব এবং সপ্তম লাইট ক্যাভালরির।

“আমার বাবা” তারেক রহমানের জবানীতে পিতা জিয়াউর রহমান

Add caption
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ওপর যত জানছি ততই বিস্মিত হচ্ছি। মানুষ এত ভার্সেটাইল হয় কিভাবে? জনাব রুহুল আমিন কর্তৃক সংকলিত “জিয়াউর রহমান স্মারক গ্রন্থ” তে দেখলাম জনাব তারেক রহমান তার বাবা কে নিয়ে স্মৃতিচারন মুলক “আমার বাবা” নামে একটা আত্ম স্মৃতি লিখছে। সেখানে ৮ টি ঘটনা আছে, যেখান থেকে ব্যাক্তি জিয়া কেমন ছিলেন তার একটা ধারনা পাওয়া যায়। সেই ৮ টি ঘটনা ধারাবাহিক ভাবে অন লাইনের বিশাল সংখ্যক জিয়ার আদর্শে বিশ্বাসীদের সাথে একজন পিতা হিসাবে জিয়াউর রহমান কেমন ছিলেন জানানোর জন্য তার জবানীতে এই লেখা
একঃ ১৯৭৬ সালের ঘটনা। তখন স্কুলে পড়ি। প্রতিদিনের মত সেদিন ও আমরা দু’ ভাই সকাল ৭টায় বের হচ্ছি স্কুলে যাবার উদ্দেশ্যে। বাবা অফিসে যাবার জন্য তার গাড়ীতে উঠছে। হঠাৎ তার গাড়ীর ব্রেক লাইট জ্বলে উঠল, আমাদের গাড়ীর ড্রাইভার কে গেট থেকে জোরে ডাক দিলেন। আমরা গাড়িতে বসা। ড্রাইভার গাড়ী থেকে নেমে বাবার কাছে গেল, যখন ফিরে এল মনে হল বাঘের খাচা থেকে ফিরে এসেছে। জিজ্ঞেস করলাম কি ব্যাপার? উত্তরে বলল, “স্যার এই বেলা আপনাদের নামিয়ে দিয়ে অফিসের পি এসের কাছে রিপোর্ট দিতে। এখন থেকে ছোট গাড়ী নিয়ে স্কুলে যাতায়াত করতে হবে। ছোট গাড়ীতে তেল খরচ কম হয়। আর এই গাড়ীর চাকা খুলে রাখতে বলছে।” উল্লেখ্য আমাদের যে গাড়ীটি নিয়ে স্কুলে আসা যাওয়া করত সেটি সরকারী বড় গাড়ী।

জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের প্রদর্শিত পথ ও আমরা

বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশে যে কয়টি নাম উজ্জ্বল তার মধ্যে একটি হলো জিয়াউর রহমান বীর উত্তম। একটি জাতি যখন তার নবযাত্রা শুরু করে তখন একজন পথপ্রদর্শকের খুব প্রয়োজন পরে। জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ছিলেন এমন একজন পথপ্রদর্শক। আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা কোন শোষণ-শাষণের যন্ত্র নয়। আধুনিক রাষ্ট্রের চূড়ান্ত লক্ষ্য জনকল্যাণ। সেই মহৎ উদ্দেশ্য সাধনে কোন পথে যাবে একটি দেশ ও জাতি তার পুরোটা নির্ভর করে ঐ দেশের তৎকালীন আভ্যন্তরীন অবস্থা ও দেশের বাইরের আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলের উপর। জিয়াউর রহমান যখন দেশের দায়িত্ব পান তখন সারা বিশ্বে চলছে ঠান্ডা লড়াই। মূলতঃ দুটি শিবিরে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে বিশ্ব, একদিকে রয়েছে সমাজতান্ত্রিক মতাদর্শ আর একদিকে রয়েছে পুঁজিবাদি মতাদর্শ। একটির নেতৃত্বে রয়েছে সোভিয়েত ইউনিয়ন, আরেকটির নেতৃত্বে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিটি জাতির জনগণও তখন দুইটি ভাবাদর্শে বিভক্ত। এ পর্যায়ে বিভিন্ন দেশের সরকারগুলো তখন বেছে নিচ্ছে তাদের যার যার পছন্দের শিবির।বলা বাহুল্য যে এক্ষেত্রে সরকারগুলো কখনো তা করছে জনগণের

Ads Inside Post