জিয়াউর রহমান যেভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন


জিয়াউর রহমান যেভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেনভয়াল ২৫ মার্চ। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ঘুমন্ত নিরস্ত্র মানুষের ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যা চালায়। পৃথিবীর ইতিহাসে বর্বরতম এই গণহত্যা ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে পরিচিত। পলাশীর আম্রকাননে স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হওয়ার পর প্রায় ২১৪ বছর ধরে স্বাধীনতার স্বপ্ন বুকে লালন করে রেখেছিলাম আমরা। অথচ চির আকাক্সিক্ষত স্বাধীনতার লালসূর্যটি যখন নির্যাতন ও দুঃশাসনের কালো মেঘের ফাঁকে উঁকি দিচ্ছিল ঠিক সেই সময় জাতির ভাগ্য অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দিয়ে প্রলয় আতঙ্কে আতঙ্কিত হয়ে এ জাতির তথাকথিত রাজনীতিবিদ সিংহশাবকরা অনেকেই আত্মগোপন করেছিলেন। তাদের কেউ যায় বুড়িগঙ্গা পেরিয়ে গগনদের বাড়িতে, কেউ যায় ওপারে। : ২৪ মার্চ পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ও আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়ায় পশ্চিম পাকিস্তানিরা সামরিক অভিযানের মাধ্যমে স্বাধীনতা আন্দোলন দমন করতে চায়।

হাসিনা ইজ নো মুজিব’


ভারতের বিখ্যাত সাংবাদিক কুলদীপ নায়ার বলেছেন, ‘শেখ হাসিনার অগণতান্ত্রিক মনোভাব আরো ধ্বংস বয়ে আনবে, কারণ জঙ্গি ও মৌলবাদী শক্তি পাশেই ওত পেতে আছে। এরই মধ্যে এমন শক্তি অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেছে এবং কয়েকটি হরতালে অবস্থা অনুকূল বলে আভাস পেয়েছে তারা।’
সম্প্রতি ভারতের সাপ্তাহিক দ্য সানডে গার্ডিয়ানের ‘হাসিনা ইজ নো মুজিব (শেখ হাসিনা শেখ মুজিব নন’ শীর্ষক এক কলামে কুলদীপ নায়ার এসব কথা জানিয়েছেন। ওই কলামে বাংলাদেশের বর্তমান নেতৃত্ব, ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের উন্নয়ন পার্থক্য নিয়েও নিজের বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন।
শেখ হাসিনা এবং সাবেক ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর ইন্দিরা গান্ধীর মধ্যে সম্পর্ক টেনে কুলদীপ নায়ার বলেন,

কেমন ছিল বাকশালের শাসন ?

আসুন একবার ইতিহাসের পাতায় চোখ মেলে দেখে নেই কেমন ছিল সেসব দিনগুলো। হাজার হাজার করুণ কাহিনীর সৃষ্টি হয়েছে আওয়ামী লীগের শাসন আমলে বাংলাদেশে। যার সবগুলো গুমড়ে মরেছে নির্বিচারে, প্রকাশিত হতে পারেনি।
পাবনার বাজিতপুরের কোরাটিয়া গ্রামের কৃষক আব্দুল আলীর ছেলে রশীদকে রক্ষীবাহিনী কর্তৃক নিমর্মভাবে খুনের বিভৎস সে চিত্র মেজর ডালিমের সাইট থেকে তুলে ধরলাম। আবদুল আলীর সাক্ষাৎকারটা ছিল নিম্নরূপ :-
“আমার সামনে ছেলেকে গুলি করে হত্যা করল। আমার হাতে কুঠার দিয়ে বলল, ‘মাথা কেটে দে, ফুটবল খেলবো।’ আমি কি তা পারি! আমি যে বাপ। কিন্তু অকথ্য নির্যাতন কতক্ষণ আর সহ্য করা যায়। অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত নিজের হাতে ছেলের মাথা কেটে দিয়েছি। রশীদ নাকি রাজনীতি করত আমি জানতাম না। একদিন মাতু আর শাহজাহান এসে ধরে নিয়ে গেল। আওয়ামী লীগ অফিসে সারারাত ওরা ওকে বেদম মার মারল। সকালে বলল এক হাজার টাকা দিলে ছেড়ে দেবে। রশীদ স্বীকার করে এল এক হাজার টাকা দেবার। আমার কাছে টাকা চাইল।

কে এই মির্জা ফখরুল? কতটুকু জানেন তার সম্পর্কে? না জানলে এখনই জেনে নিন - PLZ

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (জন্মঃ ১ আগস্ট, ১৯৪৮)
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (জন্মঃ ১ আগস্ট, ১৯৪৮) একজন বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক সরকারী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব। মির্জা ফখরুল মূলত বিএনপির জেষ্ঠ্য যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছিলেন, যে পদে তিনি দলের ৫ম জাতীয় সম্মেলনে মনোনীত হন। ২০১১ সালের মার্চে দলের মহাসচিব খন্দকার দেলওয়ার হোসেন মৃত্যুবরণ করলে তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হন। মির্জা ফখরুল এর আগে কৃষি, পর্যটন ও বেসরকারী বিমান চলাচল বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। প্রাথমিক জীবন- মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৯৪৮ সালের ১ আগস্ট তারিখে ঠাকুরগাঁও জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মির্জা রুহুল আমিন একজন সক্রিয় রাজনীতিবিদ ছিলেন, যিনি ঐ অঞ্চলের একজন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। মির্জা ফখরুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক (সন্মান) ডিগ্রী অর্জন করেছেন। ছাত্রজীবনের সক্রিয় রাজনীতির সাথে জড়িত হলেও কর্মজীবনের শুরুতে তিনি শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ছিলেন ও একাধিক সরকারী কলেজে অধ্যাপনা করেছেন। তিনি ১৯৮০-র দশকে তিনি মূলধারার রাজনীতিতে আসেন। মির্জা ফখরুল ১৯৭০-র দশকের শেষে তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী এস.এ. বারির ব্যাক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, যে পদে

পিলখানায় ৫৭ জন সেনা হত্যার বর্ষপুতি পালন উৎপসব হবে এশিয়া কাপের বাংলাদেশ-ভারত উদ্বোধনী ম্যাচ দিয়ে




আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারী পিলখানায় ভারতীয় কমান্ডোদের হামলায় ৫৭ সেনা হত্যা ও সফলভাবে বিডিআর ধংসের বার্ষিকী। ঐদিন দিনটিকে ভুলিয়ে রাখার জন্য গত তিন বছর ধরে ঢাকায় আয়োজন করা হচ্ছে এশীয় কাপ ক্রিকেট। এবারেও

এটা ঢাকায় উদ্বোধন হবে ২৫ ফেব্রুয়ারীর আগের দিন, আবার খেলাটা হবে ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ!
কি তাজ্জবের পরিকল্পনা? বাংলাদেশের মানুষ এবং সেনাবাহিনী যখন চায় ২৫ ফেব্রুয়ারীকে শোক দিবস হিসাবে ঘোষণা করতে, তখন হাসিনা প্রতি বছর ঐ দিনটিতে নানাভাবে ভারতীয় শিল্পী বা খেলোয়াড়দেরকে ঢাকায় এনে নাচাকুদা করায়। এটা এক ধরনের বিকৃত রুচির সরকার। চাইলে ২৫ তারিখের পরেই এশীয়াি কাপ উদ্বোধন করা যেতো। কিন্তু অবৈধ সরকারে ইস্যু হলো আলাদা- দাদারা কিসে খুশি থাকবে? ......বাংলার মানুষ। কাঁদতে থাকো ততদিন- যতদিন নিজেদেরটা বুঝে নিবা না।পিলখানা বিডিআর গনহত্যা এবং এশিয়া কাপঃ
আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারী' ২০১৬ এ বাংলাদেশের ইতিহাসের নৃশংসতম গনহত্যা পিলখানা বিডিআর হত্যাযজ্ঞের ৭ম বার্ষিকী। ঐদিন পিলখানায় ৫৭ জন পদস্থ সেনা অফিসার সহ ৭৪জন কে হত্যা ও সফলভাবে বিডিআর ধংসের নীল-নক্সার বাস্তবায়ন করা হয়েছিলো । এই কালো দিনটিকে ভুলিয়ে রাখার জন্য গত তিন বছর ধরেই ঢাকায় আয়োজন করা হচ্ছে এশীয় কাপ ক্রিকেট। এবারেও ঢাকায় এশিয়া কাপ উদ্বোধন হবে ২৪ ফেব্রুয়ারী , আবার প্রথম খেলাটা হবে ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ !
কি তাজ্জব পরিকল্পনা? বাংলাদেশের মানুষ এবং নিহতদের পরিবার পরিজন যখন ২৫ ফেব্রুয়ারীকে জাতীয় শোক দিবস কিংবা সেনা হত্যা দিবস ঘোষনার জোর দাবী করেছেন বারবার , তখন হাসিনা সরকার প্রতি বছর ঐ দিনটিতে নানাভাবে ভারতীয় শিল্পী বা খেলোয়াড়দেরকে ঢাকায় এনে নাঁচাকুদা করায়। এটা এক ধরনের বিকৃত রুচির সরকার। নিজেরা জড়িত না থাকলে আর জাতীর প্রতি বিন্দুমাত্র সন্মান থাকলে ঐদিন কোনো উৎসব করতে পারতো না সরকার । চাইলে ২৫ তারিখের পরেই এশিয়া কাপ উদ্বোধন করা যেতো । কিন্তু এই অবৈধ সরকার এই দূর্ভাগা গোল্ড ফিস মেমোরীর জাতিকে নিয়ে মশকরা তো

করতেই পারে। হায়রে হতভাগা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যগন।এতো বড় ট্রাজেডি এবং রক্ত ঋন ভূলে গিয়ে হাসিনার তথাকথিত সাংবিধানিক অবৈধ সরকারকে সমর্থন দিতে হচ্ছে তাদের। কিন্তু তারা ভূলে গেলেও আমরা এই সূর্যসন্তানদের আত্মত্যাগ ভূলিনি এবং ভূলবোনা কোনো দিন। ভাই

খেমকারান যুদ্ধঃ যেভাবে বাংলাদেশের জাতীয়তাবোধের উদ্ভব

১৯৬৫ সালের আগষ্ট মাসে ভারত পাকিস্তান উভয়েই বুজতে পারল একটা যুদ্ধ অনিবার্য। যুদ্ধ কৌশল হিসাবে পাকিস্তান কাশ্মীরের শ্রীনগর অভিমুখে তার সেনাবাহিনী পাঠাতে থাকে। সেনাবাহিনীর কনভয়ের প্রথমে থাকে পাকিস্তানের তৎকালীন দুর্ধর্ষ পাঞ্জাব রেজিমেন্ট, তারপর বালুচ রেজিমেন্ট, ফ্রন্টিয়ার ফোর্স এবং সবশেষে সব থাকে দূর্বল তৎকালীন বেঙ্গল রেজিমেন্ট যা মুলতঃ পুর্ব বাংলার জওয়ান দ্ধারা গঠিত।
ওদিকে ভারত তার বাহিনী শ্রীনগরে না পাঠিয়ে শিয়ালকোটের অরক্ষিত খেমকারান দিয়ে পাকিস্তানের লাহোর অভিমুখে মার্চ করায়। ওই মুহুর্তে শিয়ালকোট ছিল পুরাই অরক্ষিত। ঘঠনার আকস্মিকতায় পাকিস্তান হতচকিত হয়ে যায়। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল আইয়ুব নিজ হাতে সেনাবাহিনীর কমান্ড নেন। শ্রীনগর অভিমুখে মার্চ করা পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর মুখ ঘুরিয়ে তিনি খেমকারান অভিমুখে পাঠান।
শ্রীনগর অভিমুখে যে দল ছিল সব থেকে পেছনে সেই দলই হয়ে যায় এখন অগ্রবর্তী দল। মানে ইষ্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট তখন সবার আগে তার পেছনে যথাক্রমে ফ্রন্টিয়ার ফোর্স, বালুচ রেজিমেন্ট আর সর্বশেষে পাঞ্জাব রেজিমেন্ট। ভারতীয় সামরিক বাহিনীর মুখোমুখী হয় সে সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে অবহেলিত ইষ্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট। ইষ্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের আলফা কোম্পানী খেমকারান সেক্টরে মুখোমুখি হয় সপ্তদশ রাজপুত উনবিংশ মারাঠা লাইট ইনফ্যান্ট্রি, ষোড়শ পাঞ্জাব এবং সপ্তম লাইট ক্যাভালরির।

বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় সমন জারির প্রতিবাদে ইউ.এ.ই সাইবার ইউজার দলের প্রতিবাদ সভা





গতকাল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাইবার ইউজার দল সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী কমিটির উদ্যোগে বিএনপি'র চেয়ারপার্সন বেগমখালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে দায়েরকৃত রাষ্ট্রদোহী মামলায় সমন জারির প্রতিবাদে এবং সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বহিঃবিশ্ব বিএনপি নেতা এস. আলম রাজীবকে হলুদ মিডিয়া কর্তৃক আন্তর্জাতিক জঙ্গী আখ্যা দিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদের দেশটির রাজধানী আবুধাবিস্থ সেন্ড মেরিন রেস্টুরেন্টে এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়।

“আমার বাবা” তারেক রহমানের জবানীতে পিতা জিয়াউর রহমান

Add caption
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ওপর যত জানছি ততই বিস্মিত হচ্ছি। মানুষ এত ভার্সেটাইল হয় কিভাবে? জনাব রুহুল আমিন কর্তৃক সংকলিত “জিয়াউর রহমান স্মারক গ্রন্থ” তে দেখলাম জনাব তারেক রহমান তার বাবা কে নিয়ে স্মৃতিচারন মুলক “আমার বাবা” নামে একটা আত্ম স্মৃতি লিখছে। সেখানে ৮ টি ঘটনা আছে, যেখান থেকে ব্যাক্তি জিয়া কেমন ছিলেন তার একটা ধারনা পাওয়া যায়। সেই ৮ টি ঘটনা ধারাবাহিক ভাবে অন লাইনের বিশাল সংখ্যক জিয়ার আদর্শে বিশ্বাসীদের সাথে একজন পিতা হিসাবে জিয়াউর রহমান কেমন ছিলেন জানানোর জন্য তার জবানীতে এই লেখা
একঃ ১৯৭৬ সালের ঘটনা। তখন স্কুলে পড়ি। প্রতিদিনের মত সেদিন ও আমরা দু’ ভাই সকাল ৭টায় বের হচ্ছি স্কুলে যাবার উদ্দেশ্যে। বাবা অফিসে যাবার জন্য তার গাড়ীতে উঠছে। হঠাৎ তার গাড়ীর ব্রেক লাইট জ্বলে উঠল, আমাদের গাড়ীর ড্রাইভার কে গেট থেকে জোরে ডাক দিলেন। আমরা গাড়িতে বসা। ড্রাইভার গাড়ী থেকে নেমে বাবার কাছে গেল, যখন ফিরে এল মনে হল বাঘের খাচা থেকে ফিরে এসেছে। জিজ্ঞেস করলাম কি ব্যাপার? উত্তরে বলল, “স্যার এই বেলা আপনাদের নামিয়ে দিয়ে অফিসের পি এসের কাছে রিপোর্ট দিতে। এখন থেকে ছোট গাড়ী নিয়ে স্কুলে যাতায়াত করতে হবে। ছোট গাড়ীতে তেল খরচ কম হয়। আর এই গাড়ীর চাকা খুলে রাখতে বলছে।” উল্লেখ্য আমাদের যে গাড়ীটি নিয়ে স্কুলে আসা যাওয়া করত সেটি সরকারী বড় গাড়ী।

গ্যাসের উপর নাকি ভাসছে দেশ, রান্নার গ্যাস গেল কোথায়? ডক্টর তুহিন মালিক


 এক.

ইদানীং কাউকে নিমন্ত্রণ করেন না আমার মা। কারণ রাত ১১টার আগে চুলা জ্বলে না আমাদের পুরান ঢাকার চকবাজারের বাসায়। আগের রাতের খাবারটা পর্যন্ত পরদিন দুপুরে গরম করে খাবারও কোনোরকম সুযোগ নাই চরম গ্যাস সংকটের কারণে। কয়লার তন্দুরে বানানো বাখরখানিটাই আপাতত বাঁচিয়ে রেখেছে সকালের নাস্তাটাকে। ঐতিহ্যের বাখরখানি এখন অনেকটা যেন নিত্যদিনের অনুরোধে ঢেঁকি গেলারই মতো। রান্না করে খাবার খেতে পারার এখন আর কোনো সুযোগই নাই ঢাকাসহ নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের মানুষের কাছে। রান্নার জন্য চাই গ্যাস। অথচ চরম গ্যাস সংকটে ভুগছে রাজধানীসহ আশেপাশের সব এলাকা। তবে মধ্যরাতে দেখা মেলে গ্যাসের। সারাদিন সংসারের কাজকর্ম সেরে রাত জেগে গৃহিণীদের রান্নাবান্না করতে হচ্ছে। দিনে গ্যাসের চুলায় যে আগুন পাওয়া যায় তাতে ভাত রান্না করতে তিন দিন সময়ের প্রয়োজন। গত মঙ্গলবার গ্যাসের দাবিতে ফতুল্লা ও ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রুটে ঝাড়– হাতে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করে এলাকাবাসী।

খালেদা জিয়ার এই ছবির ইতিহাস নিশ্চই সবাই ভুলে গেছেন।


এরশাদের স্বৈরশাসনকালে ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারী চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জনসভায় যোগ দিতে যাবার পথে শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন সরকারী হিসেবে ৯ জন, বেসরকারী হিসেবে ২৪ জন আর আওয়ামী লীগের ওয়েব পেজের হিসেবে ৮০ জন। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এই হামলাকে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই চালানো হয়েছিলো বলে বর্ননা করা হয়এই হামলার প্রতিবাদে ঢাকায় শহীদ মিনারে আওয়ামী লীগ ও তৎকালীন ৮ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে ২৬ জানুয়ারী একটি বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেয়া হয়েছিলো। রহস্যজনকভাবে সেই সমাবেশে শেখ হাসিনা যোগ দেন নাই, কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই সমাবেশে যোগ দেন। তিনি স্বৈরাচারী এরশাদ কর্তৃক শেখ হাসিনার গাড়িবহরে পুলিশের গুলি এবং গণহত্যার প্রতিবাদে ঐ সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিলেরও নেতৃত্বও দিয়েছিলেন। এটি সেই মিছিলের ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সেই মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন ইনু, মেনন, শাহজাহান খান, শিরিন সুলতানা, শেখ সেলিমসহ বর্তমান সরকারী দলের অনেক নেতা।

জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের প্রদর্শিত পথ ও আমরা

বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশে যে কয়টি নাম উজ্জ্বল তার মধ্যে একটি হলো জিয়াউর রহমান বীর উত্তম। একটি জাতি যখন তার নবযাত্রা শুরু করে তখন একজন পথপ্রদর্শকের খুব প্রয়োজন পরে। জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ছিলেন এমন একজন পথপ্রদর্শক। আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা কোন শোষণ-শাষণের যন্ত্র নয়। আধুনিক রাষ্ট্রের চূড়ান্ত লক্ষ্য জনকল্যাণ। সেই মহৎ উদ্দেশ্য সাধনে কোন পথে যাবে একটি দেশ ও জাতি তার পুরোটা নির্ভর করে ঐ দেশের তৎকালীন আভ্যন্তরীন অবস্থা ও দেশের বাইরের আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলের উপর। জিয়াউর রহমান যখন দেশের দায়িত্ব পান তখন সারা বিশ্বে চলছে ঠান্ডা লড়াই। মূলতঃ দুটি শিবিরে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে বিশ্ব, একদিকে রয়েছে সমাজতান্ত্রিক মতাদর্শ আর একদিকে রয়েছে পুঁজিবাদি মতাদর্শ। একটির নেতৃত্বে রয়েছে সোভিয়েত ইউনিয়ন, আরেকটির নেতৃত্বে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিটি জাতির জনগণও তখন দুইটি ভাবাদর্শে বিভক্ত। এ পর্যায়ে বিভিন্ন দেশের সরকারগুলো তখন বেছে নিচ্ছে তাদের যার যার পছন্দের শিবির।বলা বাহুল্য যে এক্ষেত্রে সরকারগুলো কখনো তা করছে জনগণের

Ads Inside Post